পৃথিবীর সবচেয়ে ভয়ংকর জংগল নাম কি?Prithbi Sob cheye Vongkar Jongol ba bon Er nam ki

পৃথিবীর সবচেয়ে ভয়ংকর  জংগল নাম কি?Prithbi Sob cheye Vongkar Jongol ba bon Er nam ki পৃথিবীর সবচেয়ে ভয়ংকর  জংগল বা বন কোথায় এর অবস্থান ?

রোমানিয়ার অবস্থিত  হোইয়া বাছিউ পৃথিবীর সবচেয়ে ভয়ঙ্কর বনের একটি ।  এবং এর গাছপালা থেকে শুরু করে সবকিছুই রহস্যময়  । স্থানীয় লোকদের ভাষ্যমতে এই বনে কেউ প্রবেশ করলে কেউ নাকি আর ফিরে আসেনা  । ।রহস্যময় ডাকা হয় ট্রানসিলভেনিয়া বারমুডা ট্রায়াঙ্গেল নামে ।

কারণ বারমুডা ট্রায়াঙ্গেলের মত এবং অস্বাভাবিক ঘটনা গুলো রহস্য এখনও অমীমাংসিত রয়েছে… । রোমানিয়ার এই প্রথমবার বিশ্বজুড়ে আলোচনায় আসে ১৯৬৮  সালে । এম এল বানিয়ার  নামের এক ব্যক্তি দাবি করেন তিনি সেখান থেকে একটি ইউ এফ ও বা ভিনগ্রহের প্রাণীদের মহাকাশযান দেখতে পেয়েছেন ।

সাথে সাথে ক্যামেরা দিয়ে ছবি তুলেছিলেন তিনি । আর তার তোলা সেই ছবিটি আলোচিত হয় বিশ্বব্যাপী পরবর্তীতে সেই ঘটনার প্রমাণ সংগ্রহ করতে রোমানিয়া যান একজন বিজ্ঞানী ।

পৃথিবীর সবচেয়ে ভয়ংকর  জংগল নাম কি?Prithbi Sob cheye Vongkar Jongol ba bon Er nam ki পৃথিবীর সবচেয়ে ভয়ংকর  জংগল বা বন কোথায় এর অবস্থান ?   রোমানিয়ার অবস্থিত হইয়া হোইয়া বাছিউ পৃথিবীর সবচেয়ে ভয়ঙ্কর বনের একটি ।  এবং এর গাছপালা থেকে শুরু করে সবকিছুই রহস্যময়  । স্থানীয় লোকদের ভাষ্যমতে এই বনে কেউ প্রবেশ করলে কেউ নাকি আর ফিরে আসেনা  । ।রহস্যময় ডাকা হয় ট্রানসিলভেনিয়া বারমুডা ট্রায়াঙ্গেল নামে ।  কারণ বারমুডা ট্রায়াঙ্গেলের মত এবং অস্বাভাবিক ঘটনা গুলো রহস্য এখনও অমীমাংসিত রয়েছে… । রোমানিয়ার এই প্রথমবার বিশ্বজুড়ে আলোচনায় আসে ১৯৬৮  সালে । এম এল বানিয়ার  নামের এক ব্যক্তি দাবি করেন তিনি সেখান থেকে একটি ইউ এফ ও বা ভিনগ্রহের প্রাণীদের মহাকাশযান দেখতে পেয়েছেন ।   সাথে সাথে ক্যামেরা দিয়ে ছবি তুলেছিলেন তিনি । আর তার তোলা সেই ছবিটি আলোচিত হয় বিশ্বব্যাপী পরবর্তীতে সেই ঘটনার প্রমাণ সংগ্রহ করতে রোমানিয়া যান একজন বিজ্ঞানী ।

পৃথিবীর সবচেয়ে ভয়ংকর  জংগল নাম কি?পৃথিবীর সবচেয়ে ভয়ংকর  জংগল বা বন কোথায় এর অবস্থান Prithbi Sobcheye Vongkar Jongol ba bon Er nam ki


সেখানেই তিনি বিভিন্ন পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর এলাকাবাসীর সাথে কথা বলে জানতে পারেন এরকম মহাকাশযান স্থানীয় অনেকেই দেখেছেন । বিভিন্ন সময় নাকি বনের ভেতর দেখা গিয়েছে বিকট আলোর বলাই  । ২০১২  সালে সর্বশেষ বোনের পাশের এলাকায় দুই অধিবাসী জানান তারা প্রায় ৫০ মিটার লম্বা  সিকারেত আকৃতির একটি বস্তু উড়ে যেতে দেখেছেন আকাশের দিকে ।

স্থানীয় মানুষের কাছ থেকে জানা যায় একবার এই বনে ঘাস খাওয়ানোর জন্য নিজের ২০০ ভাড়া নিয়ে বনের ভেতর গিয়েছিল এক ছেলে।  সে আর কখনো ফিরে আসেনি । সেই থেকে রোমানিয়ার মানুষের ধারণা এই বনে কেউ গেলে আর কখনো ফিরে নাও আসতে পারে .। 

যারা বেশি সাহস দেখিয়ে বলে গিয়েছেন তারা সবাই আক্রান্ত হয়েছেন জ্বর বমি মাথাব্যথা সহ বিভিন্ন সমস্যার মধ্যে।  একবার পাঁচ বছর বয়সী এক মেয়ে ঘুরতে গিয়ে হারিয়ে যায় বনের ভেতরে।  খোঁজাখুঁজি করেও পাওয়া যায়নি তাকে । তবে আশ্চর্য ব্যাপার হচ্ছে ঠিক পাঁচ বছর পর ফিরে এসেছিল মন থেকে। আগের জামাকাপড় এমনকি সেগুলো ময়লা হয় নি । এতদিন কোথায় ছিল কিভাবে ফিরে এলো কিছুই জানাতে পারেনি কাউকে পাঁচ বছরের কোন স্মৃতি মনে ছিল না তার ।  

পৃথিবীর সবচেয়ে রহস্যময় বনের খ্যাতি পাওয়া এবং এ ছাড়া প্রবেশ করেছেন সবাই নাকি একরকম অস্বাভাবিক মানসিক পরিস্থিতি লক্ষ্য করেছেন । বনের ভেতর গেলে মনে হয় কেউ যেন তাদের উপরে চোখ রাখছে আড়াল থেকে । ২৫০ হেক্টর আয়তনের গাছগুলোর আকৃতি অস্বাভাবিক ডালপালা পিছিয়ে রয়েছে যা সচরাচর অন্য কোন বনে দেখা যায়না । এর মাঝখানে একটি জায়গা রয়েছে যেখানে কোন গাছ উদ্ভিদ জন্মায় নি  ।

বিজ্ঞানীরা সে জায়গার মাটির পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে দেখেছেন কিন্তু গাছ না জন্মানোর কোন কারণ তারা খুঁজে পাননি । বিজ্ঞানীদের পরীক্ষায় বনের ভেতর পাওয়া গিয়েছে তেজস্ক্রিয় মাইক্রো এবং ইনফেকশনের উপস্থিতি । এছাড়াও পরীক্ষা-নিরীক্ষা লক্ষ্য করা যায় বনের মধ্যে বেশকিছু চৌম্বকীয় বিচ্যুতি  । তবে বিজ্ঞানীদের গবেষণার পর এখন পর্যন্ত বোনের মধ্যে অস্বাভাবিক বিভিন্ন ঘটনার কোনো ব্যাখ্যা পাওয়া যায়নি । রোমানিয়ার  হোইয়া বাছিউ  বন তাই পৃথিবীর এক অমীমাংসিত রহস্য গুলোর একটি

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

নবীনতর পূর্বতন

যোগাযোগ ফর্ম